শিরোনাম


নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলায় ভাংচুরের ঘটনায় অদক্ষতা ও অসদাচরণের দায়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম।

মঙ্গলবার রাতে পুলিশ সুপারের এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে বরিশাল রেঞ্জে ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া একই অভিযোগে দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলমকে মৌলভীবাজার জেলায় বদলি করা হয়েছে।

এদিকে সুনামগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত নূর আলমকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম(ফেইবুকে) হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের গোপেন্দ্র দাসের ছেলে ঝুটন দাস আপন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ভাইরাল হয়ে গেলে পুলিশ জনতার সহযোগিতায় মঙ্গলবার(১৬ মার্চ) রাতেই শশখাই বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। বুধবার(১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) সকালে র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ওই দিন বিকালে পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। একটি মামলার বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় সহস্রাধিকজনকে আসামী করা হয়েছে। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। মামলায় ৮০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০০জনকে আসামী করা হয়।

শুক্রবার(১৯ মার্চ) গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে আত্বগোপনে থাকা শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মেম্বারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। রোববার(২১ মার্চ) বিকালে সিনিয়র চিপ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক শ্যাম কান্ত সিনহার আদালতে ৩৩জনকে হাজির করে শাল্লা থানার এসআই আবুল বাশার। পরে প্রধান আসামী স্বাধীন মেম্বারকে ৫ দিনের রিমান্ড ও ২৯ জনকে ২দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এঘটনায় এপর্যন্ত ৩৫জনে গ্রেফতার করা হয়।